• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DM

কলকাতা

বাথরুমে পড়ে গুরুতর অসুস্থ সুব্রত বক্সী, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ! কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার আচমকাই বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা ও স্ক্যানের পর চিকিৎসকেরা জানতে পারেন, মাথায় আঘাতের জেরে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধেছে।হাসপাতাল সূত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ না হলেও ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, চিকিৎসকদের একটি অংশ মনে করছেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। আপাতত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতাকে।এই খবরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অন্যতম সংগঠক মুখ হিসেবে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন সুব্রত বক্সী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং প্রার্থী তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তাঁর প্রভাব আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দলীয় অন্দরের এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা হতাশ করেছিল। যদিও রাজনৈতিক সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।এখন চিকিৎসকদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। সুব্রত বক্সীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি কামনায় প্রার্থনা করছেন তাঁর অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

মে ১১, ২০২৬
দেশ

সংসদে বড় ধাক্কা! সংবিধান সংশোধনী বিল পাস না হতেই চরম চাপে কেন্দ্র

সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকেও শেষ পর্যন্ত বড় ধাক্কা খেল কেন্দ্রীয় সরকার। ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল লোকসভায় পাস করাতে পারল না সরকার। এই বিল পেশ ও পাস করানোর উদ্দেশ্যেই বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল, কিন্তু প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না মেলায় বিলটি আটকে যায়।এই সংবিধান সংশোধনী বিলের সঙ্গে যুক্ত ছিল আসন পুনর্বিন্যাস বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল। মূলত মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এর আগে ২০২৩ সালে সর্বসম্মতিতে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস হলেও তা কার্যকর হয়নি। সেই বিলকে আইনে পরিণত করতে নতুন করে সংশোধনী আনা হয়েছিল।বিলটি নিয়ে সংসদে তুমুল বিতর্ক হয়। শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ৫২৮ জন সাংসদের মধ্যে ভোটাভুটিতে ২৯৮ জন বিলের পক্ষে এবং ২৩০ জন বিপক্ষে ভোট দেন। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩৫২টি সমর্থন, যা জোগাড় করতে পারেনি সরকার।এই ভোটাভুটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল, এতদিন সরকারকে সমর্থন করা বিজেডি-র অবস্থান বদল। দলের নেতা নবীন পট্টনায়কের নেতৃত্বে তাঁদের সাংসদরা আসন পুনর্বিন্যাস বিলের বিরোধিতা করেন, যা ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলে।লোকসভায় শাসক জোটের সাংসদের সংখ্যা ২৯৩, আর বিরোধীদের সংখ্যা ২৩৩। রাজ্যসভাতেও শাসক জোট এগিয়ে থাকলেও এই গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করাতে ব্যর্থ হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, সংবিধান সংশোধনী বিল পাস না হওয়ায় আপাতত বাকি দুই বিল নিয়েও এগোবে না কেন্দ্র। এদিকে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গেল। এখন কেন্দ্রীয় সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মহিলা সংরক্ষণে বড় বদল! জনগণনা বাদ দিয়ে নতুন চাল কেন্দ্রের, বাড়তে পারে লোকসভা আসন

সংসদে শীঘ্রই মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগে বলা হয়েছিল, জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে কেন্দ্র নতুন পথ বেছে নিতে চাইছে।সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই সংসদে দুটি সংবিধান সংশোধনী বিল আনা হতে পারে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতেই আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। আগে যেখানে নতুন জনগণনার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন সেই ধাপ বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। ফলে দ্রুত মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার পথে এগোতে চাইছে কেন্দ্র।এই সংশোধনী কার্যকর হলে লোকসভায় আসনের সংখ্যাও অনেকটাই বাড়তে পারে। বর্তমানে যেখানে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩, সেখানে তা বেড়ে প্রায় ৮১৬ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেও আসন সংখ্যা ৪২ থেকে বেড়ে ৬৩ হতে পারে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।তবে এই বিল পাশ করাতে সংসদে দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই বিরোধীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে। যদিও সব দল এই প্রস্তাবে সমর্থন দেবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী নিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে দ্রুত সংরক্ষণ কার্যকর হবে, নাকি আরও বিতর্ক বাড়বেতা এখন দেখার।

মার্চ ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই, অল ইংল্যান্ড শিরোপা হাতছাড়া

অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বপ্ন এবারও অপূর্ণই থেকে গেল ভারতের। ফাইনালে উঠেও খেতাব জিততে পারলেন না ভারতের তরুণ শাটলার লক্ষ্য সেন। রবিবার (৯ মার্চ) পুরুষদের সিঙ্গলস ফাইনালে চাইনিজ তাইপেইয়ের লিন চুন ই-র কাছে হেরে যান তিনি। লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই থেকে গেল।প্রায় ৫৭ মিনিট ধরে লড়াই চলা এই ম্যাচে লক্ষ্য ১৫-২১ এবং ২০-২২ ব্যবধানে পরাজিত হন। ফলে গত ২৫ বছর ধরে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের খেতাব জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হল। অন্যদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে লিন চুনই প্রথম চাইনিজ তাইপেই শাটলার হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের খেতাব জিতলেন।উল্লেখ্য, চার বছর আগে অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স-আপ হয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। চলতি বছর আবারও ফাইনালে উঠে সেই আক্ষেপ মেটানোর সুযোগ এসেছিল। আলমোড়ার ২৪ বছরের এই শাটলার ফাইনালেও লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা অধরাই থেকে যায়।এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে ওঠার পথে লক্ষ্য সেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। তিনি বিশ্বের এক নম্বর শাটলার শি ইউ কি এবং বিশ্ব তালিকার ছয় নম্বরে থাকা লি শি ফেংকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছান। সেমিফাইনালে কানাডার ভিক্টর লেইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পায়ের চোট নিয়েও ৯৭ মিনিট লড়াই করে জয় তুলে নেন তিনি।ভারতের ইতিহাসে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষদের সিঙ্গলসে এখনও পর্যন্ত মাত্র দুই ভারতীয় শাটলার খেতাব জিতেছেন, প্রকাশ পাড়ুকোন (১৯৮০) এবং পুলেল্লা গোপীচাঁদ (২০০১)। এছাড়া প্রকাশ নাথ (১৯৪৭) এবং সাইনা নেহওয়াল (২০১৫) ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেননি।এবার লক্ষ্য সেন ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না। ফলে অল ইংল্যান্ডে ভারতের শিরোপা জয়ের অপেক্ষা এখনও অব্যাহত রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পকে ছাপিয়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতের প্রশংসা মার্কিন অ্যাডমিরালের! চাপে পাকিস্তান

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আমেরিকার মুখে ভারতের প্রশংসা শোনা গেল। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের প্রধান স্যামুয়েল জে পাপারো ভারতীয় সেনার সংযমের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যে পাকিস্তানের অস্বস্তি বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাম না করেও ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।রবিবার এক সাক্ষাৎকারে পাপারো বলেন, এই ধরনের সামরিক অভিযান যে কোনও শান্তিপ্রিয় দেশের কাছেই উদ্বেগের বিষয়। তবে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারত যেভাবে সংযম দেখিয়েছে, তা প্রশংসার যোগ্য। তিনি বলেন, ভারতীয় সেনার কৌশল ও পরিকল্পনা যথেষ্ট পরিণত এবং দায়িত্বশীল ছিল।সাক্ষাৎকারে তাঁকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ও চিনা সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। যদিও তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি, তবে বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলায় আগে থেকে প্রস্তুতি থাকা জরুরি। সব সময় সতর্ক থাকতে হয় এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায় স্পষ্ট, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোই একমাত্র পথ।এর পাশাপাশি চিনকে রুখতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইঙ্গিতও দেন মার্কিন সেনা আধিকারিক। তিনি জানান, ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত স্বার্থ অনেকটাই এক। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। ভারত মহাসাগরে ভারতের ভূমিকার জন্য আমেরিকা কৃতজ্ঞ বলেও জানান তিনি। সার্বভৌমত্ব, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং সমুদ্রের নিরাপত্তা এই নীতিগুলিতে দুই দেশই অটল বলে মন্তব্য করেন পাপারো।ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করেন। বিশ্বের মোট জিডিপির ৬০ শতাংশেরও বেশি আসে এখান থেকে। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সামরিক শক্তির মধ্যে সাতটি এই অঞ্চলে অবস্থিত। তাই এখানে বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তিশালী অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।সব মিলিয়ে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতের সংযম ও কৌশলের প্রশংসা করে আমেরিকার এই বার্তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। বিশেষ করে পাকিস্তান ও চিনকে ঘিরে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমীকরণে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোটের মুখে পদ্ম সম্মান! এগিয়ে বাংলা, কেরলকে কেন এত গুরুত্ব দিল কেন্দ্র?

এগিয়ে বাংলা, তার পরেই কেরল। ভোটের মুখে এই দুই রাজ্যে কেন্দ্র বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু না হলেও তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে।প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর বাংলা থেকে পদ্ম সম্মান পেয়েছেন ১১ জন, আর কেরল থেকে পেয়েছেন আট জন। এই দুই রাজ্যই চলতি বছরে বিজেপির কাছে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই সম্মানের তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক গুঞ্জন।চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখের নাম রয়েছে। এমনকি রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও। কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন মোট ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তিনি গুরুজি বা দিশম গুরু নামে পরিচিত ছিলেন।শিবু সোরেনের পাশাপাশি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন কেরলের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি এস অচ্যুতানন্দন। সাধারণত বামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় সম্মান গ্রহণ করেন না। অতীতে জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভারতরত্ন এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বিষয়টি। প্রয়াত এই বাম মুখ্যমন্ত্রীকে এ বছর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করছে কেন্দ্র।এই সম্মান নিয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন কোনও মন্তব্য করতে চাননি। দলের তরফে শুধু জানানো হয়েছে, কেরল সরকার অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের জন্য সুপারিশ করেনি। একই সুর শোনা যাচ্ছে বাংলার বাম শিবিরেও। এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ তাঁরা।তবে অচ্যুতানন্দনের পুত্র অরুণকুমার কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বাবার এই সম্মানে তিনি খুশি বলে জানান। উল্লেখ্য, শুধু অচ্যুতানন্দনই নন, কেরল থেকে এ বছর আরও সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পদ্ম সম্মানের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পদ্মশ্রী পেলেন প্রসেনজিৎ! চার দশকের লড়াইয়ের শেষে জাতীয় স্বীকৃতি বাংলার মহাতারকার

পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম আইকন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যায় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই তালিকায় পদ্মশ্রী বিভাগে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলার এই জনপ্রিয় অভিনেতা। ঠিক সরস্বতীপুজোর আগের দিনই মুক্তি পেয়েছে তাঁর নতুন ছবি বিজয়নগরের হীরে। চার বছর পর বড়পর্দায় ফিরেছেন কাকাবাবু। তবে শুধু একটি ছবির জন্য নয়, দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা সিনেমায় তাঁর অবদানকেই স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র।১৯৬৮ সালে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তখন তিনি শিশু শিল্পী। বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ছোট্ট জিজ্ঞাসাতে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। নায়ক হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ১৯৮৩ সালে দুটি পাতা ছবির মাধ্যমে। এরপর থেকেই একটানা এগিয়েছে তাঁর অভিনয়জীবন। একের পর এক জনপ্রিয় ছবি, বিপুল দর্শকপ্রিয়তা এবং রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে দেশজুড়ে পরিচিতিসব মিলিয়ে দীর্ঘ পথচলা তাঁর।প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের অবদান শুধু ভালো অভিনয় বা সফল ছবিতে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁর ভূমিকা নানা ভাবে ব্যাখ্যা করেন সিনেপ্রেমীরা। অনেকের মতে, যখন শহরের দর্শক বিকল্প ধারার সিনেমার দিকে ঝুঁকছিলেন, তখন গ্রামবাংলার দর্শকদের জন্য বাণিজ্যিক ছবির ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছিলেন প্রসেনজিৎ। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। নিজের দীর্ঘ কেরিয়ারে সাড়ে তিনশোরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। কখনও থেকেছেন মূলধারার নায়ক হিসেবে, আবার কখনও নিজেকে ভেঙে নতুন ধরনের চরিত্রেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।বর্তমানে বাংলা সিনেমা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলেন, ওয়েব সিরিজ, হিন্দি ওটিটি এবং বিকল্প ধারার সিনেমার ভিড়ে বাংলা সিনেমা দর্শক হারাচ্ছে। কিন্তু প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি বিজয়নগরের হীরে সেই ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে। শুধু কলকাতাই নয়, বলিউডের মাল্টিপ্লেক্সেও ভালো ব্যবসা করছে কাকাবাবু। বাংলা সিনেমা যে এখনও দর্শক টানতে পারে, তারই প্রমাণ দিচ্ছে এই ছবি।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কোর্টে আর নয়! অবসর ঘোষণা করলেন সাইনা নেহওয়াল

অবশেষে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানালেন সাইনা নেহওয়াল। ভারতের ব্যাডমিন্টনে প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেওয়া এই তারকা খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরেই চোট-আঘাতে ভুগছিলেন। শেষ দুবছরে তাঁর শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে আর কোর্টে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষবার ২০২৩ সালের সিঙ্গাপুর ওপেনে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল।একটি পডকাস্টে নিজের অবসরের কথা জানিয়ে সাইনা বলেন, তিনি আসলে অনেক আগেই ব্যাডমিন্টন খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিজের ইচ্ছাতেই এই খেলায় এসেছিলেন, আবার নিজের ইচ্ছাতেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। আলাদা করে অবসর ঘোষণা করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। যখন বুঝেছেন আর খেলা সম্ভব নয়, তখনই থেমে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছেন তিনি।চোটের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাইনা। তিনি বলেন, তাঁর হাঁটুর কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও রয়েছে। বাবা-মা ও কোচদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠছে। বিশ্বমানের খেলোয়াড় হতে গেলে দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা অনুশীলন প্রয়োজন, কিন্তু তিনি সেখানে দুঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারছিলেন না। হাঁটু আর আগের মতো সঙ্গ দিচ্ছিল না বলেই কেরিয়ার থামানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে ব্যাডমিন্টনে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সাইনা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে বড় নাম। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ব্যাডমিন্টনে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেন সাইনা নেহওয়াল।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে আবারও সোনা এবং এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। জুনিয়র স্তরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা জিতেছিলেন সাইনা। তবে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর থেকেই হাঁটুর চোট তাঁর কেরিয়ারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ছন্দ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বুঝে যান, আর নয়। সেই সঙ্গে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও পর্দা নামল।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কোর্টে আর নয়! অবসর ঘোষণা করলেন সাইনা নেহওয়াল

অবশেষে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানালেন সাইনা নেহওয়াল। ভারতের ব্যাডমিন্টনে প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেওয়া এই তারকা খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরেই চোট-আঘাতে ভুগছিলেন। শেষ দুবছরে তাঁর শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে আর কোর্টে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষবার ২০২৩ সালের সিঙ্গাপুর ওপেনে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল।একটি পডকাস্টে নিজের অবসরের কথা জানিয়ে সাইনা বলেন, তিনি আসলে অনেক আগেই ব্যাডমিন্টন খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিজের ইচ্ছাতেই এই খেলায় এসেছিলেন, আবার নিজের ইচ্ছাতেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। আলাদা করে অবসর ঘোষণা করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। যখন বুঝেছেন আর খেলা সম্ভব নয়, তখনই থেমে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছেন তিনি।চোটের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাইনা। তিনি বলেন, তাঁর হাঁটুর কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও রয়েছে। বাবা-মা ও কোচদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠছে। বিশ্বমানের খেলোয়াড় হতে গেলে দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা অনুশীলন প্রয়োজন, কিন্তু তিনি সেখানে দুঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারছিলেন না। হাঁটু আর আগের মতো সঙ্গ দিচ্ছিল না বলেই কেরিয়ার থামানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে ব্যাডমিন্টনে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সাইনা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে বড় নাম। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ব্যাডমিন্টনে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেন সাইনা নেহওয়াল।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে আবারও সোনা এবং এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। জুনিয়র স্তরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা জিতেছিলেন সাইনা। তবে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর থেকেই হাঁটুর চোট তাঁর কেরিয়ারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ছন্দ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বুঝে যান, আর নয়। সেই সঙ্গে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও পর্দা নামল।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

১৯৬৭ সালের অ্যাডমিট কার্ড হাতে শুনানিতে হাজির ৭৫ বছরের বৃদ্ধা, চমকে গেল এসআইআর কেন্দ্র

শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। প্রতিটি বিধানসভা ক্ষেত্র পিছু একাধিক জায়গায় চলছে শুনানি। স্কুল ও সরকারি অফিসে তৈরি করা হয়েছে শুনানি কেন্দ্র। প্রথম পর্যায়ে মূলত আনম্যাপড ভোটারদেরই শুনানিতে ডাকা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।এই শুনানির মাঝেই নজর কাড়লেন শ্রীরাম মন্দির লেনের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী ভারতী দে। ফর্মে নামের ক্ষেত্রে সামান্য ভুল থাকায় তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়। শুনানিতে এসে নিজের সঙ্গে নিয়ে আসেন ১৯৬৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড এবং রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট। এত পুরনো নথি, তাও আবার এত ভালো অবস্থায় দেখে হতবাক হয়ে যান উপস্থিত অনেকে।নির্বাচন কমিশনের এসআইআর যাচাই প্রক্রিয়ায় দশটিরও বেশি নথি দেখানোর সুযোগ রয়েছে। মাধ্যমিক সংক্রান্ত নথির পাশাপাশি আরও একাধিক পরিচয়পত্র গ্রহণ করা হয়। সেই প্রেক্ষিতেই এত বছরের পুরনো অ্যাডমিট কার্ড এবং শংসাপত্র অক্ষত অবস্থায় দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকে। তবে ভারতী দেবীর কথায়, পড়াশোনার সব কাগজপত্র তিনি সযত্নে রেখে দিতে ভালোবাসেন। কিন্তু সেগুলি যে একদিন এত কাজে লাগবে, তা তিনি ভাবেননি।কেন তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, সে প্রসঙ্গে ভারতী দেবী বলেন, নামের ক্ষেত্রে হয়তো কোনও ভুল ছিল। তাই শুনানির নোটিস এসেছিল। তবে সেখানে পৌঁছনোর পর তাঁকে জানানো হয়, বাড়িতেই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা যাচাই করতে আসবেন। তিনি আরও জানান, বিগত প্রতিটি নির্বাচনেই তিনি ভোট দিয়েছেন এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাঁর নাম ছিল।বয়সের ভারে শরীর এখন দুর্বল। শারীরিক অসুস্থতা থাকলেও এদিন পায়ে হেঁটেই শুনানি কেন্দ্রে সময়মতো পৌঁছন তিনি। গণভবন থেকে বেরিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন ওই বৃদ্ধা।অন্যদিকে, চেতলা গার্লস স্কুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে একটি শুনানি কেন্দ্র করা হয়েছে। তার কাছেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি সহায়তা ক্যাম্প বসানো হয়। সেখানে সাধারণ মানুষ এসে নিজেদের সমস্যা ও প্রশ্ন জানাচ্ছেন। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলাকার কাউন্সিলর ও কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ওই ক্যাম্পে যান এবং দীর্ঘক্ষণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

'সতীদাহের নামে নারীদের যেমন চিতায় তুলত, আমরাও তেমনই অগ্নিপরীক্ষায়', কালো পোশাকে প্রতিবাদে পরীক্ষাকেন্দ্রে মেহবুবরা

কালো পোশাকে প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে নিলেন চাকরিহারাদের একাংশ। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক মেহবুব মণ্ডল। কালো পাঞ্জাবি পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হলেন তিনি। বারুইপুরের বাসিন্দা মেহবুবের পরীক্ষা পড়েছে সোনারপুর বিদ্যাপীঠ স্কুলে। সকালেই রওনা দিয়ে পৌঁছে যান কেন্দ্রে। ক্ষোভ চেপে রাখেননি, সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে সোজাসুজি উগরে দেন মনের কথা। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে সতীদাহের নামে নারীদের জোর করে চিতায় ঠেলে দেওয়া হত, কিংবা গ্যালিলিওকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আর বিচার বিভাগের সহায়তায় আজ আমাদেরও ঠিক তেমনভাবেই আবার নতুন অগ্নিপরীক্ষায় ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর ফল কী হবে, আমরা জানি না।সেই বহুল আলোচিত প্যানেলই এর কেন্দ্রে। রাতারাতি প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক চাকরি হারিয়েছিলেন। এরপর থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হয়েছে অসংখ্য শুনানি, দরবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি ফেরাতে না পেরে নতুন পরীক্ষাতেই বসতে হচ্ছে তাঁদের। এবার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ হবে ৩৫ হাজার ৭৫২ শূন্যপদে।দুই দফায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম ধাপ ৭ সেপ্টেম্বরযেখানে নবম-দশম শ্রেণির জন্য পরীক্ষা দেবে ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ প্রার্থী। দ্বিতীয় ধাপ ১৪ সেপ্টেম্বরএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য বসবেন আরও ২ লক্ষ ৪৬ হাজার চাকরিপ্রার্থী। ফলে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। রাজ্যজুড়ে প্রথম দিনে ৬৩৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে, আর দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্রে বসবেন পরীক্ষার্থীরা।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

'এসএসসি-র নয়া নিয়োগ পরীক্ষায় ফের দাগিদের সুযোগ', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

নয় বছর পর আবারও হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই উঠছে একাধিক প্রশ্নআসন্ন পরীক্ষা কি সত্যিই হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ? আর কি দেখা যাবে না অনিয়ম, কারও চোখের জল? প্রায় ৬ লক্ষ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর। তবু রাজনৈতিক মহলে সংশয় কাটছে না।এই পরিস্থিতিতেই আসানসোলে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এখনও ১৫২ জন দাগি প্রার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন। যদিও তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। শুভেন্দুর কথায়, ১৯৫৮ জন দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১৮০৬ জনের নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। কিন্তু ১৫২ জনকে বাদ রাখা হয়েছে না, বরং তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ এক প্রহসনের পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, টাকা নিয়ে কেন্দ্র ঠিক হয়েছে, তৃণমূল নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় গোটা প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করছে। এর ফল কিছুই হবে না, হবে কেবল অশ্বডিম্ব।অন্যদিকে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসবেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী। আর ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশের জন্য বসবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার জন। প্রথম দিনে গোটা রাজ্যে থাকছে ৬৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র, দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্র।অর্থাৎ, দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে চলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন আশাবাদী হলেও বিরোধীরা মনে করছে এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অনিয়মের ছাপ

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

পদ্মশ্রী জয়ী সাঁতারুর বাড়িতে ভয়াবহ চুরি, উধাও ১২০ টির বেশি মেডেল

হুগলির হিন্দমোটর দোবাই পুকুরে প্রাক্তন সাঁতারু ও পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত বুলা চৌধুরীর পৈতৃক বাড়িতে চুরির ঘটনা। দীর্ঘদিন ফাঁকা থাকা বাড়ি থেকে সোনা, রুপো, ব্রোঞ্জের শতাধিক মেডেল, পদ্মশ্রী ও রাষ্ট্রপতি পুরস্কারের রেপ্লিকা, বিদেশি পদক ও দামি সামগ্রী খোয়া যায়। ঘটনাস্থলে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ ও চন্দননগর কমিশনারেটের আধিকারিকরা তদন্তে নেমেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে একই বাড়িতে দুবার চুরি হলেও আজও তার কিনারা হয়নি।ঘটনার পর পদ্মশ্রী পুরস্কার জয়ী বিখ্যাত সাঁতারু বলেন, আমি মানসিক ভাবে খুব বিপর্যস্ত। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যখন কেন্দ্রীয় ক্রীড়া দফতরের মন্ত্রী ছিলেন তখন আমি বিদেশে সাঁতার প্রতিযোগিতায় যাওয়ার সময় উনি আমায় বলেছিলেন বুলা দেশের জন্য সোনা আনবে, আমি ৬ টি সোনার মেডেল এনে ওনার কথা রেখেছিলাম। এখন উনি মুখ্যমন্ত্রী। এবার আমার আবেদন তাঁর কাছে, দয়া করে প্রশাসনকে জোর দিন যাতে আমার সমস্ত মেডেল গুলো উদ্ধার হয়। বুলার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

সপ্তাহের শুরুতেই উত্তরবঙ্গ সফরে মমতা, তুঙ্গে প্রস্তুতি

সোমবার উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা এবং একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতেই এই সফর বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।সফরের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়ি পৌঁছবেন। এরপর তিনি দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাসও করবেন।এই সফরে সরকারি আধিকারিকদের পাশাপাশি থাকবেন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রশাসনিক কর্তা। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথাও বলবেন এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, আসন্ন পঞ্চায়েত বা লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং প্রশাসনিক কাজকর্মের গতি বাড়ানোই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৮, ২০২৫
রাজ্য

বাড়ি ফিরলেন মুর্শিদাবাদের বেতবোনা গ্রামের ঘরছাড়ারা

নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে সামসেরগঞ্জের বেতবোনা এলাকা থেকে মালদার পারলালপুর গ্রামে চলে গিয়েছিলেন প্রায় ৮৫ টি পরিবার। আজ রবিবার ওপার থেকে সবকটি পরিবার পুনরায় নিজের বাড়ি ফিরে আসেন তারা। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার আনন্দ রায়ের নেতৃত্বে এবং জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান, সামসেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলাম, ফারাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে তাদের নৌকা ঘাটে নিয়ে আসা হয়। ধুলিয়ান কাঞ্চনতলা গঙ্গা ঘাট থেকে নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের প্রত্যেকের বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। রবিবার সন্ধ্যার চিত্র। এই মুহূর্তে পারলালপুরের আশ্রয় ক্যাম্পে আর কোনো পরিবার নেই।

এপ্রিল ২০, ২০২৫
রাজ্য

শনিবার মুর্শিদাবাদে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস শনিবার মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ থানার জাফরাবাদে মৃত বাবা-ছেলে হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসের বাড়িতে যান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। ওইদিন ঠিক কি হয়েছিল সেই বিষয়ে জানতে চান। এদিকে রাজ্যপালকে সামনে পেয়ে দাস পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি তাদের কথা মন দিয়ে শোনেন এবং বোঝার চেষ্টা করেন। রাজ্যপাল তাদের সান্ত্বনা দেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। দাস বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল জাফরাবাদের আরও ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ঘুরে দেখেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বাস দেন। প্রায় ৪০ মিনিট তিনি জাফরাবাদ গ্রামে ছিলেন। এরপরেই তিনি জাফরাবাদ থেকে বেরিয়ে যান। এদিকে শনিবার রাজ্যপাল সামসেরগঞ্জের জাফরাবাদ আসছেন এই খবর পেতেই সকাল থেকে বেতবোনা গ্রামের বাসিন্দারা রাস্তায় জমায়েত হয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু রাজ্যপাল জাফরাবাদ থেকে বেরিয়ে বেতবোনায় না দাঁড়িয়ে বহরমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এই ঘটনায় বেতবোনার বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। রাজ্যপালের কনভয়ের নিরাপত্তা রক্ষীদের গাড়ি আটকে তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে রাজ্যপাল বেতবোনায় ফিরে আসেন এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগের কথা শোনেন। তারপর বহরমপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। রাজ্যপাল বলেন, সামসেরগঞ্জে যা ঘটে গেছে সেটা যেকোন সভ্য সমাজের পক্ষে অত্যন্ত লজ্জাজনক। কিছু দুর্বৃত্ত এটা ঘটিয়েছে। বহু পরিবার ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা আতঙ্কের মধ্যে ছিল। তবে রাজ্য পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি এই মুহুর্তে তাদের প্রধান তিনটি দাবি হল- ন্যায়বিচার, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বিএসএফ ক্যাম্প। একজন রাজ্যপাল হিসেবে রাজ্য ও কেন্দ্রের সমন্বয় করে ওখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও শান্তি ফিরিয়ে আনা আমার দায়িত্ব। বিকেলে বহরমপুর কোর্ট স্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাজ্যপাল।এদিকে এদিন সকালে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান সহ ছয় সদস্যের দল বেতবোনা, জাফরাবাদে যায়। মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন। জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান বিজয়া কিশোর রোহতকার বলেন, ওই এলাকার পীড়িতদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সমস্ত ঘটনা তুলে ধরেছেন। সত্যি কয়েকদিন তাদের ভয়ঙ্কর ও বিভীষিকাময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর রায় এবং মালদার কংগ্রেস সাংসদ ইশা খান সামসেরগঞ্জে দাস পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। প্রথমে দাস পরিবারের সদস্যরা কংগ্রেস নেতাদের বাড়িতে ঢুকতে না দিলেও পরে তারা বাড়িতে ঢোকেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সামসেরগঞ্জ ও সূতির ঘটনার পিছনে তৃণমূল ও বিজেপির হাত রয়েছে বলে দাবি করেন। মৃত হরগোবিন্দ দাসের জামাই বিশ্বজিৎ দাস হিংসার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের পাশাপাশি গ্রামে বিএসএফ ক্যাম্পের দাবি জানিয়েছেন।

এপ্রিল ২০, ২০২৫
রাজ্য

মুর্শিদাবাদে বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ

মুর্শিদাবাদ সীমান্তে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ। মুর্শিদাবাদের রানিনগর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ রুটমার্চ। এলাকায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই রুটমার্চ বলে জানিয়েছেন পুলিশ।ওয়াকফ সংশোধনী আইন প্রত্যাহারের দাবিতে জ্বলছিল মুর্শিদাবাদ। অশান্তি ছড়িয়েছিল মুর্শিদাবাদের একাধিক জায়গায়। এলাকায় শান্তি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরাতে গোটা জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন। মহামান্য আদালতের নির্দেশেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয় মুর্শিদাবাদ জেলায়। আর যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে । সেই দিকটা লক্ষ রেখেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন।

এপ্রিল ১৬, ২০২৫
রাজ্য

সামসেরগঞ্জে বাবা ছেলে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুই

র্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জে বাবা ও ছেলে খুনে গ্রেফতার দুই। এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন বীরভূম ও সুতি এলাকা থেকে কালু নাদাব ও দিলবার নাদাব নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওয়াকাফ বিক্ষোভের মাঝেই ১২ এপ্রিল কুপিয়ে খুন করা হয় হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাস নামে দুই পিতা ও পুত্রকে। জানা গিয়েছে ধৃতদের বাংলাদেশ পালানোর পরিকল্পনা ছিল। এখন পর্যন্ত ২২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১০৯৩ টি সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন ফেক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে। সমগ্র পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। রাজ্য পুলিশ বিএসএফ সিআরপিএফ টহলদারি করেছে। আর নতুন করে কোন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ১৫, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal